যে কারনে আমি রুড আর এরোগ্যান্ট হলাম সবার কাছে –
আমি খুব দ্রুতই বুঝে গিয়েছিলাম যে,এই জীবনে আমি- আপনি যা-ই করিনা কেন, মানুষ কথা বলবেই।
এজন্য আমি বেছে ও জেনে নিয়েছিলাম যে, সবাইকে খুশি করা—এটা কখনোই আমার কাজ না।
আপনি একটু মোটা? বলবে আপনি নাকি সারাদিন খেতেই থাকেন।
ওজন কমালে বলবে—“তোকে দেখছি অসুস্থ লাগছে!”
ভালো ড্রেস-আপ করলে—“শো-অফ করছে।”
সিম্পল হলে—“গরিব, কিপটা।”
হাসিখুশি হলে—“ইম্যাচিউর।”
সাকসেসফুল হলে—“অ্যারোগ্যান্ট।”
অর্থাৎ… আমি-আপনি যাই করিনা না কেন,কেউ না কেউ যেন আমাকে-আপনাকে বিচার করতেই বসে আছে।
এই বিচার দিয়ে আমি কখনোই আমার কোন বিল ব চাহিদা মেটাতে পারিনি তাই আমি আসলে কখনোই এমন কোন কথাতে বিচলত হইনি।
আমি কাজ করি,এতে দুরুত্ব অনেকের সাথে বেড়েছে তবে আমি জানি- এই কাজ আমাকে অন্ন দেয়,আমার আব্বু-আম্মুর অপারেশনের খরচ দেয়, সন্তানদের জন্য সুন্দর ভবিষ্যৎ দেয় আর আমাকে স্বাধীনতা দেয়।
কারো কথা দিয়ে আমার কোন চাহিদা যে মেটানো যায় না—এটা সত্যি কথা।
তাই মানুষের কথায় জীবন সাজানো বন্ধ করেছি আমি সেই অনেক আগে থেকেই।
নিজের প্যাশন, নিজের পথ, নিজের গতিতে হাঁটি।কে কি বলছে,আমার কাজ ও আচরণ নিয়ে কে কি ভাবছে এগুলা আমার কাছে ম্যাটার করেনা।তবে হ্যাঁ কাউকে আমি আমার জ্ঞান বিবেক দিয়ে কষ্ট দিই না।
আমার সাজেশন হলো, যা করলে আপনি শান্তি পান, যা আপনাকে ভালো রাখে, সেটাই করুন।
দিনের শেষে আপনার সুখের মূল্য—মানুষের মন্তব্যের চেয়ে অনেক বড়।