চুপ থাকা রপ্ত করতে পারার গুন

চুপ থাকা রপ্ত করতে পারাটা একটা বড় মনেহয় ইদানিং,একটা সময়ে সবকিছুর উত্তর করতে না পারলে যেন শান্তি পেতাম না।ছোটবেলায় আমার বেশ দুর্নাম ছিলো-সৌভিক মুখের উপরে কথা বলে।

আসলে আমার কাছে মনে হতো যে- সঠিক হোক বা বেঠিক, যেটা সত্য সেটা মুখের উপরে বলাই ভালো।৩০ পেরিয়ে এসে বুঝলাম-পৃথিবীতে এমন স্পষ্টভাষী মানূষদের আসলে কেউ পছন্দ করেনা।কারন, স্পষ্ট কথা বলা মানুষদের নিয়ে সমাজে দ্বৈত আচরণ করে চলা যায়না।আর এখনতো মুখ আর মনের হিসাব আলাদা না করতে পারলেই সেটা একটা বড় অযোগ্যতা বলে বিবেচিত।

এখন আর কিছুই আক্ষেপ নেই,যে যেভাবে ট্রিট করে সেটাকেই শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি বলে মনে করি।ভালো আর মন্দের হিসাব করিনা,উত্তর ও করিনা।শুধু ভাবি- থাক,উত্তর দিয়ে কিংবা এক্সপ্লেনেশন নিয়ে তার ধারণা প্রমানের আসলে কিছু নেই।

জীবন ছোট এবং সেটা একটাই,যার যা খুশি যেভাবে খুশি চলুক।আমি নিজের উপরেই কেবল বাজিটা ধরি,আর কারো উপরে তো নয়।চুপ থাকা মানেই নাকি আবার মেনে নেওয়া।হোক,সেটাও মেনে নিলাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *