বিজনেস টিপস – ২৫২৯০

অনেকেই মনে করেন,পার্সোনাল ব্রান্ডিং এর দরকার নেই।অনেকেই ভাবেন নিজেকে উপস্থাপন করার মধ্যে কোন আলদা বেনিফিট নেই।
সবার আগে এটা বলি,পার্সোনাল ব্রান্ড ভ্যালু বাড়ানো মানে নিজেকে উপস্থাপন করা নয়। বরং নিজের স্কিল, অভিজ্ঞতা, আর ব্যাক্তিত্বটাকে চেনানো।
ব্যবসাতে এই ব্যাপারগুলি বর্তমানে খুব কাজে লাগে।আপনাকে মানুষ যত বেশি চিনবে,যত বেশি ট্রাস্ট করবে তত বেশি আপনার ব্রান্ডের ভ্যালু বাড়বে ও ট্রাস্ট লেভেল টা বাড়বে।
আপনারা ব্যাক্তি সৌভিক ভাই কে আগে চিনেছেন নাকি ICT CARE কে আগে চিনেছেন?
বর্তমানের অনেকেই হয়তো ICT CARE কে আগে চিনেছেন তবে ব্যাক্তি আমাকে চিনেছেন সবাই আগে।তার ও আগে আমার লেখা,আমার ভিডিও,আমার তথ্য উপস্থাপন এগুলাই আপনার মনে আমার জন্য আলাদা জায়গা দিয়েছে বলে মনে করি আমি।
অনেকেই পার্সোনাল ব্রান্ডিং নিয়ে ভুল তথ্য উপস্থাপন করেন।অনেকের ধারনা এটার গুরুত্ব নেই।আসলে যে যেভাবেই ভাবেন না কেন,কোন ফারাক আসবে যাবে না।
যার মধ্যে ক্রিয়েটিভিটি আছে,তার উচিত এই ব্রান্ডিং এর ফোকাস করা।নিজেকে ওপেন করা নয় বরং নিজ থেকে নিজের স্কিল কে ওপেন করা।
ধরেন,আপনি জামদানী নিয়ে কাজ করেন।তাহলে সেই জামদানী নিয়ে এমন এমন কন্টেন্ট বানান যেন,সবাই সার্চ করলে ঐ আলাদাভাবে উপস্থাপনের জামদানীর কন্টেন্ট টাই পায়।
যেমনটা আপনারা আইটি নিয়ে বা বিজনেস টিপস নিয়ে সার্চ করলে আমাকে পাবেন।যখন চারিদিকে একটা মানুষের স্কিলকে আপনি দেখতে পাবেন তখন স্পষ্টভাবে আপনার ব্রান্ড ভ্যালু বাড়বে আর সেটার উপরে ডিপেন্ড করে,আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের ব্রান্ড ভ্যালুটাও বাড়বে।
একটা সময়ের পরে হয়তো আপনার চেয়ে আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের ব্রান্ড ভ্যালু বাড়বে দ্রুত তবে এতে আপনার গুরুত্ব কমে যাবেনা।
পার্সোনাল ব্রান্ড তৈরি করতে পারলে,যেকোন প্রোডাক্ট কে ব্রান্ড বানানো সম্ভব হয়।তাহলে আর কোন কিছুই বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *