যারা ভাবেন,এখন শুরু কতে আর কি হবে তাদের জন্য।

আজকে একটা গল্প শেয়ার করি।
এটা অনুপ্রেরণার গল্প।
৮৮ বছর বয়সে, যখন বেশিরভাগ মানুষ দিনের শুরুতেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে, তখন শিগেরু ফুজিমোতো ভোর ২টায় ঘুম থেকে ওঠেন।
হালকা স্ট্রেচিং করেন, এক কাপ কফি বানান, তারপর তিনটা কম্পিউটার মনিটর চালু করেন।
তিনি আমেরিকার স্টক মার্কেট দেখেন, রিপোর্ট পড়েন, খবর বিশ্লেষণ করেন, তারপর ধীরে ধীরে জাপানের বাজার কোন দিকে যাবে সেটা বোঝার চেষ্টা করেন।
সব কিছু আন্দাজের ওপর না, বছরের পর বছর শেখা অভিজ্ঞতার ওপর।
এখন তার হাঁটার সময় লাঠি লাগে।
চোখে সমস্যা, তাই কখনো ম্যাগনিফাইং গ্লাস ব্যবহার করেন।
কিবোর্ডে টাইপ করেন এক আঙুল দিয়ে, ভুলও হয়, লসও হয়।
তবুও প্রতিদিন আবার বসেন।
আজ তার সম্পদের পরিমাণ ২ বিলিয়ন ইয়েনের বেশি।
কিন্তু তার জীবনে বিলাস নেই।
মোবাইল ফোন নেই, গাড়ি নেই।
১৫ বছর আগের একটা টুপি এখনো পরেন, যেটা তার স্ত্রী বারবার সেলাই করে দিয়েছেন।
কারণ তার কাছে টাকা মানে দেখানোর জিনিস না।
** টাকা মানে মনোযোগ, শৃঙ্খলা আর দায়িত্ব। **
৬৬ বছর বয়সে তিনি প্রথম কম্পিউটার ব্যবহার করা শিখেছিলেন।
এর আগে কখনো পিসি ছুঁয়েও দেখেননি।
তবুও তিনি বলেছিলেন, “চেষ্টা না করলে তো শূন্যই থেকে যাবে।”
জিরো গুণ জিরো করলে ফলাফলও জিরোই হয়।
তিনি বলেন, “আমি সাতবার না, প্রায় পঞ্চাশবার হোঁচট খেয়েছি।
কিন্তু বসে থাকিনি। কারণ দুঃখে ডুবে থাকলে পরের সুযোগটা চোখের সামনে দিয়েই চলে যায়।”
তার সবচেয়ে শক্ত কথাটা ছিল, “আমি মারা যাওয়ার দিনই অবসর নেব।”
এই পোস্টটা তাদের জন্য, যারা ভাবেঃ
– এখন বয়স হয়ে গেছে
– এখন শুরু করে কী হবে
– সময় তো আর আগের মতো নেই।
সত্যিটা খুব সাধারণ।
** শেষ তখনই হয়, যখন আপনি নিজে থামেন। **
শুরু করার জন্য বয়স না, সাহস লাগে।
আর একটা সঠিক সিদ্ধান্তই অনেক সময় যথেষ্ট।
ধন্যবাদ।
Copied ( কার লেখা জানিনা)

Newsletter Updates

Enter your email address below and subscribe to our newsletter

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *