১০ মিনিট রাইটিং স্কিল পোষ্ট – ৯০

 
শূন্য থেকে সেরা হবো কিভাবে?
আজকের এই পোস্ট লিখতে স্যারের লেখা পোস্ট টি একটু সময় নিয়ে পড়েছি।
পড়তে ভালো লাগছিল!
অনুপ্রেরণা পাওয়ার মতোই লেখা!
স্যারের বেশ পুরোনো পোস্ট ছিল, তরুনদের উদ্দেশ্যে মুলত তবে যে কোন হতাশায় ডুবে যাওয়া কেও পড়লে হতাশাকে দূরে ঠেলে পথ তৈরি করতে উঠে দাঁড়াতে পারবেন বোধকরি।
জীবনে সবাই চাই সফল হতে।
স্বপ্ন থাকে কিছু না কিছু হতে। সকলের চাওয়ায় ভিন্নতা আছে তবে সেরা হতে সবাই চায়।
কিন্তু বাস্তবতায় খুব অল্প কিছু লোকই সেরা হতে পারে। সেই অল্প কিছু লোক উদাহরণ ও বটে কেননা তারা সেরা হতে যে পরিশ্রম করে সবাই সেই সেরা টুকু দিতে পারেনা বলেই হয় না। যে ডাক্তার হতে চায় সে যদি সুযোগ না পায় তখনি হতাশায় নিমজ্জিত হয় অথচ সে যে অন্য ভাবেও হতে পারতো সেরা। এমন অনেকেই থাকেন যারা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি না পেরে হতাশ হয় কেওবা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ে মনে করে তার কোন ভবিষ্যতৎ নেই।
কেউ কেউ তো এক বছর চাকরি না পেয়ে ভাবে সারাজীবন বেকার থাকতে হবে তাকে। এ
সব হতাশায় জীবনে দুঃখবোধ তৈরি হতেই পারে কিন্তু এসব হতাশাকে মন ঠায় দেওয়া খুবই বোকামি। জীবনে চেষ্টা থাকতেই হবে।চেষ্টা না করলে সফলতা আসবে না কেন কালেও।”খারাপ অবস্থায় নিজের মনকে শান্ত, শক্ত এবং স্বাভাবিক করতে পারাটাই যুদ্ধ জয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।”
এই ধাপে উত্তির্ন হতে পারলে পরের কাজ করা সহজ হয়ে যায়।চেষ্টা তো থাকতেই হবে সেই সাথে জীবনের লক্ষ্য স্থীর করতে হবে।যা আপনি করতে চান তা যদি স্থীর করা সম্ভব হয় তাহলে তাকে সময় দিতে হবে।সে বিষয়ে শিখতে হবে।দক্ষতা অর্জন করতে হবে।পড়াশোনা করতে হবে।অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া শেষ করেই মনে করে আর কিসের পড়াশোনা। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শুধু পরিক্ষা পাশের জন্য কাজে লাগে।আর টাকা আর্নিং এর জন্য।
কিন্তু সফলতার জন্য বিশেষ বিষয়ে বিশেষ দক্ষতা অর্জনের জন্য পড়াশোনা সব সময় প্রয়োজন। আর প্রয়োজন তাকে সময় দেওয়া, লেগে থাকতেই হবে নিয়মিত। হয়তো এ কারনে আপনাকে শুনতে হবে অনেকের নেগেটিভ কথা। কাছের কিংবা দূরের লোক, প্রতিবেশী অনেকেই আছেন আপনাকে বাঁধা দিতে পারে।সেক্ষেত্রে আপনার নিজেকে শক্ত হতে হবে সবাই কে দূরে সরিয়ে নিজেকেই সময় দিতে হবে লক্ষ্যপানে।
আপনি যদি ৯০% নিজেকে সময় দেন বাকি ১০% একদিন আপনাকে সমিহ করবে আপনার সফলতা দেখে।
স্যারের ফর্মুলা অনুযায়ী যদি ৮ থেকে ১০ ঘন্টা সময়ও যদি দেওয়া যায় তাহলে ছয় মাসে আপনার উন্নতি দেখার মতো হবে।
একবারে সম্ভব না হলেও শুরুতে এক ঘন্টা আস্তে আস্তে তা বাড়াতে হবে।অবশ্যই সেখানে আপনার মনোযোগ থাকতে হবে।তারপরও হয়তো ভাবতে পারেন একবছর সময় দিলেই কি শূন্য থেকে সফল হওয়া যাবে? তা হয়তো যাবে না তবে সফল হওয়ার জন্য যা প্রয়োজন তা আপনি পেয়ে যাবেন অবধারিত ভাবেই।
একটা জিনিস আপনি যদি বার বার করতে থাকেন তাহলে আপনার জন্য তা করা একটুও কঠিন হবে না।সে রকম সব কিছুই। নিয়মিত কাজে সফলতা আসবেই।
সফলতার জন্য প্রথম লাগবে লক্ষ্য স্থীর করা।অবস্থা যত খারাই হোক চেষ্টা থামানো যাবে না পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। প্রতিদিন এ ঘন্টা অন্তত সব বাদ দিয়ে অনুশীলন করতে হবে। অন্যদের ফালতু কথাকে পাত্তা দেওয়া যাবে না। বছরখানেক এভাবেই লেগে থাকতে হবে।কিছু পেতে কিছু ছাড় দিতেই হবে।
আরাম আয়েশে আনন্দে হয়তো বিগ্ন ঘটবে তবে বিনিময়ে পাবেন কাঙ্ক্ষিত সফলতা।
আমি পথ চেয়ে রই।

Newsletter Updates

Enter your email address below and subscribe to our newsletter

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *