আপনি হয়ত ভাবছেন “আমার মনে হচ্ছে আমি নিশ্চিত ক্যারিয়ারে ভুল পথে হাঁটছি। তাহলে ক্যারিয়ারে কোন পথটি বেছে নেব?” এই প্রশ্নের উত্তরে এই বিষয়গুলি দেখে নিতে পারেন।
১. নিজের শক্তিশালী দিক চিহ্নিত করুন
কোন কাজগুলি অনেক ভাল ভাবে করতে পারেন? আবার কোন কাজগুলি খুব একটা ভাল পারেন না?
নিজের শক্তিশালী দিকগুলি লিখে নিন, তাহলে আপনার স্বপ্নের ক্যারিয়ার কোনটি তা বুঝতে সুবিধা হবে।
সংখ্যা, অংক ইত্যাদি যদি আপনার শক্তিশালী দিক হয়, তাহলে প্রযুক্তি খাত কিংবা ফিন্যান্সে ক্যারিয়ার তৈরির চেষ্টা করতে পারেন। যদি ভাল লিখতে পারেন, তাহলে সৃজনশীল কিংবা মার্কেটিং এর চাকরির কথা ভাবতে পারেন।
২. আপনার আগ্রহ আছে এমন কিছু খুঁজে বের করুন
নিজের চাকরিটি যদি আপনার খুব পছন্দের হয়, তাহলে বুঝতে হবে ক্যারিয়ারে ঠিক দিকেই আগাচ্ছেন। তাই, কর্মজীবনে কোন বিষয়গুলিতে আপনার অনেক আগ্রহ আছে তা খুঁজে বের করুন।
বড় টিমের সাথে কাজ করতে চান? এমন কোনো পদে যোগ দিতে চান যেখানে নানারকম কাজ করতে পারবেন? নিজের দক্ষতা ও কাজের ব্যাপারে ধারণা সহকর্মীদের সাথে শেয়ার করুন।
৩. অপছন্দের বিষয়গুলিও বিবেচনায় রাখবেন
আমাদের সবারই কিছু অপছন্দের বিষয় আছে, কিছু সীমারেখা আছে, কাজের সময় যার বাইরে যাওয়াটা আমাদের জন্য অস্বস্তিদায়ক।
সারাদিন ডেস্কে বসে থাকার কথা হয়ত আপনি ভাবতেই পারেন না। আবার হয়ত কাজের জন্য এদিক সেদিক দৌড়াদৌড়ি করা, বিভিন্ন জায়গায় যাওয়া আপনার পছন্দ না, সেই সময়টা হয়ত বা ঘরে বসে কাটাতেই বেশি ভাল লাগবে। আপনার বেলায় কাজের কোন বিষয়গুলি অস্বস্তিকর হবে তা বোঝার চেষ্টা করুন।
ক্যারিয়ারের সঠিক পথ বেছে নেয়ার সময় টাকাকে অনেক বেশি গুরুত্ব দেয়া উচিত না, তবে এর কিছুটা ভূমিকা তো আছেই। তাই পছন্দের চাকরি থেকে কেমন আয় হবে সেই বিষয়ে কিছুটা খোঁজখবর নিন।
সেই আয়ের পরিমাণ যদি অনেক কম হয়, যদি তা দিয়ে দরকারি খরচ সামাল দেয়া কঠিন হয়, তাহলে হয়ত সেই পথটা আপনার জন্য সঠিক না। ভবিষ্যতে ইন্টারভিউ দেওয়ার সময় কত বেতন আশা করছেন তা ঠিকভাবে তুলে ধরুন।
এছাড়া নিজের সম্ভাবনা ও আগ্রহের বিষয় ঠিক কোনটি তা আগে চিহ্নিত করুন। তারপর কোন কাজগুলি করতে সবচেয়ে বেশি ভাল লাগে সেটা ঠিক করুন, ও কাকে রোল মডেল মনে করেন সে বিষয়েও স্পষ্ট ধারণা রাখুন।