মেটার ভেরিফিকেশন নিয়ে অনেক প্রশ্ন থাকে আমাদের মনে আর সেইজন্য এর আগে অনেক পোস্টে আলোচনা করলেও আমি আজকের পোস্টে একেবারে নিশ অংশটুকু উল্লেখ করছি-
১. আইডির সেফ এন্ড সিকিউর থাকবে।
২. হেল্প বা কন্টাকে খুব দ্রুত রিচ করা যাবে এবং ওদের টিম সরাসরি কন্টাকে রিপ্লাই করে।
৩. মেটার টিমের সাথে সরাসরি কথা বলার সুযোগ থাকে।
৪. এড চালালে (বুস্ট, প্রমোট) রেস্ট্রিকটেড হবার চান্স থাকেনা বললেই চলে।
৫. মেটার যেকোন পেইড সুবিধা পাওয়া ইজি হয়।
ফেসবুক আইডি ও ফেসবুক পেজ ভেরিফাই করাতে পারলে খুব ভালো।আর এইজন্য মেটা আপনার থেকে নিয়মিত চার্জ নিয়ে নিবে মাসিক সিস্টেমে।
যাদের সামর্থ্য আছে এবং যারা ভাবেন এই ফেসবুক প্ল্যাটফর্ম থেকেই আপনার আর্নিং হয়,তাদেরকে এটা করার সাজেশনই দিব।
তুলনামূলক রিচ বৃদ্ধি করে।
ভেরিফাইড প্রোফাইল ও পেজের ক্ষেত্রে,তাদের পোস্টগুলো ফেসবুক অ্যালগরিদমে বেশি প্রাধান্য পায়, যা আপনার মুল অডিয়েন্সের রিচ ও এঙ্গেজমেন্ট বৃদ্ধি করে।
প্রোফাইলের বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করে।
ফেইক আইডি বন্ধ / প্রটেক্ট করে।
আপনার নামে ফেইক আইডি বা স্ক্যাম প্রোফাইল তৈরির সম্ভাবনা প্রায় জিরোতে নামিয়ে আনে।
এই ইনভেস্টমেন্ট কাদের জন্য সঠিক-
আপনার ক্যারিয়ার যদি ফেসবুক বেইজ হয়,তাহলে এইটা আপনার জন্য সবচেয়ে ইফেক্টিভ ইনভেস্টমেন্টের মধ্যেই পড়ে।এটা সবার জন্য শো-অফ নয়।
আপনি যদি নিচের কোন একটা ক্যাটাগরিতে পড়েন তাহলে এটা করতে পারেন-
অনলাইন বিজনেস।
পাবলিক ফিগার।
নিট এন্ড ক্লিন ইমেজের মানুষ।
ফেসবুক প্ল্যাটফর্মে কর্পোরেট ফিগার।
তাহলে এটি আপনার জন্য অপরিহার্য হিসাবে বিবেচিত হবে।
খরচ কেমন আসবে?
ফেসবুক প্রোফাইল ও পেজ,সবক্ষেত্রেই যার যার প্রোফাইল ও পেইজ বুঝে খরচ নির্ধারণ করে ফেসবুক।প্রোফাইলের জন্য ৯-১২ ডলারের মত খরচ হলেও পেজের ক্ষেত্রে এটা ঐ পেজের কোয়ালিটি বুঝে।
যখন এই ব্লু ব্যাজ ভেরফিকেশন করতে যাবেন,তখনই ফেসবুক আপনাকে জানিয়ে দিবে যে মাসে কত টাকা পে করতে হবে।