ভালো কাজ কখনোই সস্তা হতে পারে না।
আজকাল অনেক জায়গায় দেখা যায় —
“আমরা অন্যদের চেয়ে কমে করে দিই”,
“এটাই সবচেয়ে বাজেট ফ্রেন্ডলি সল্যুশন”,
“এত কমে এর চেয়ে ভালো পাবেন না”…
শুনতে ভালো লাগলেও, প্রশ্ন হলো – ভালো কাজ কি সত্যিই কম দামে হয়?
একটি লোগো কেউ বানায় ২০০ টাকায়,
আবার কেউ নেয় ২ কোটি টাকা।
নামে সবই “লোগো”, কিন্তু কনসেপ্ট, রিসার্চ, আইডিয়া, ব্রান্ড ভ্যালু—সব কি এক?
ঠিক তেমনই, একটি ফেসবুক পেজ সাজানো হোক, ডিজিটাল মার্কেটিং হোক,হাতের তৈরি কেক হোক কিংবা কাস্টমাইজড পোশাক —
সব ক্ষেত্রেই কাজটা শুধু কাজ না, এটা একজনের মেধা, অভিজ্ঞতা আর দৃষ্টিভঙ্গির বহিঃপ্রকাশ।
একজনের স্কিল আর আরেকজনের অভিজ্ঞতা কখনোই এক নয়।এই অভিজ্ঞতা রাতারাতি কেনা যায় না, সময় লাগে, পরিশ্রম লাগে, আত্মত্যাগ লাগে।
একটি অফিস, একটি ব্যবসা বা একটি ব্র্যান্ড একদিনে তৈরি হয় না।সবাই তাঁর নিজের রিজিক নিয়ে আসে, নিজের মূল্য নিয়ে উঠে দাঁড়ায়।
মাছবাজারেও তো একাধিক দোকান থাকে,
সবারই কাস্টমার থাকে, সবারই জীবন চলে।কেউ কি ভয় পাই?
কারন, কাজের মূল্যায়ন হবে আপনার স্কিল, নলেজ ও এক্সপেরিয়েন্স অনুযায়ী।
আমি নিজেও একসময় ফ্রিতে পরামর্শ দিতাম।আজ আমি একটি মিটিংও ফ্রিতে করি না, কারণ, সময় আমার সবচেয়ে দামী সম্পদ।
আগে দিনে ১৮ ঘণ্টা কাজ করতাম, এখন করি ১২–১৪ ঘণ্টা।হয়তো কয়েক বছর পর সেটা ৮ ঘণ্টায় নেমে আসবে বা তারচেয়েও কম হয়ে যাবে আস্তে আস্তে।
কেন? কারণ আমার স্কিল বাড়ছে, সময়ের ভ্যালু বাড়ছে, চার্জও বাড়বে, এটাই স্বাভাবিক।
একজন নতুন কনসালটেন্ট আর একজন ১৫,০০০+ কনসালটেন্সি সম্পন্ন করা কনসালটেন্ট কি এক হতে পারে?
So remember,If you want others to value your work, you must value it first.
Your time, your knowledge, your skill,it matters.
You don’t just work. You create impact.
Build your brand. Set your value. Respect your craft.