আপনার বয়স ২০ হোক বা ৪০ হোক, এই লেখাটা আপনাকে বদলে দিবে সত্যিই

আমরা সবাই একটা আক্ষেপে চলি।আর সেটা হলো, এই ৯-৫ টা জীবনের জন্যই আমার দ্বারা কিছু হচ্ছেনা।তবে আমি এই লেখাটা নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লিখছি আর যারা সত্যিই ৩ মাস ফলো করতে পারবেন,তারাই এই লেখার স্বার্থকতা বুঝবেন।
এই পেজেই আমার লেখা একটা কন্টেন্ট ছিলো যার টাইটেল হলো- ” একটা মানুষ ঠিক কেমন হতে পারেন সেটা বোঝা যায় তার সময় জ্ঞান দেখে।”
যারা সফল আর যারা ব্যার্থ,তাদের সবার জন্যই দিন ঐ ২৪ ঘন্টা কিন্তু তাহলে এত বড় পার্থক্য কেন?
যারা সফল তারা ৯টা -৫ টার জন্য সফল নন,তারা ঠিক ৫ টা – ৯ টার জন্য সফল।
আসেন একটু ক্যালকুলেশনে বসি-
সময় টোটাল ২৪ ঘন্টা বা ১৪৪০ মিনিট।এইটাই একটু ভাগ বন্টন করে দেখি।
– নামাজ ৫ ওয়াক্ত ৭৫ মিনিট।
– বেলা খাবার ৪৫ মিনিট।
– গোসল ও অন্যান্য ৪৫ মিনিট।
টোটাল গেলো – ১৬৫ মিনিট বা ২ ঘন্টা ৪৫ মিনিট।
ঘুম – ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
অফিস – ৬০০ মিনিট বা ১০ ঘন্টা (আসা – যাওয়া সহ)।
যেকোন একটা স্কিল শেখা – ৩০ মিনিট।
চর্চা – ১ ঘন্টা বা ৬০ মিনিট।
কমিউনিটি মেইনটেইন ও নেটওয়ার্ক বিল্ডিং – ৪৫ মিনিট। এবং এইটা আপনি অফিসে আসা-আবার পথে ও মোবাইল স্ক্রল করেও করতে পারেন।
টোটাল গেলো – ২১ ঘন্টা বা ১২৬০ মিনিট।
হাতে আছে এখনো ১৮০ মিনিট বা ৩ ঘন্টা।
এই সময়ের মধ্যে – ফ্যামিলি টাইম দেন ৯০ মিনিট বা ১.৫ ঘন্টা।এই সময়ের মধ্যে সব ডিভাইস বন্ধ রেখে সময় দিন ফ্যামিলিকে।
১৫ মিনিট বই পড়ুন এবং সেই ১৫ মিনিট থেকে যা শিখেছেন,সেগুলি নিয়ে ১৫ মিনিটে লিখুন।
আরও থাকে ৬০ মিনিট।এইটা আপনি আপনার নিজের প্রয়োজন মত ব্যবহার করুন।
ধরুন,ঘুম দরকার তাহলে ঘুমান।আবার স্কিলে দিবেন তাহলে সেটাই করুন।ধরুন, ফ্যামিলিকে দিবেন,তাহলে সেটাই করুন।
যেকোন বিষয়ে স্কিলড হতে,সেই বিষয়ে মুলত ৬০০০ মিনিট বা ১০০ ঘন্টার নলেজ লাগে।আপনি আগে একটা স্কিল শিখুন।
এইবার সেটাকে কিভাবে কাজে লাগাবেন তা আপনার নেটওয়ার্ক আর কমিউনিটি বলে দিবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *