নারীদের পড়ার দরকার নেই-

আমি যখন এই লেখাটা লিখতে বসলাম,তখন ঠিক রাত ৩:০৫ বাজে।এই সময়ে জেগে থাকা ভালো কোন কাজ না।আমি কাউকে এই সময়ে জেগে থাকার কথা বলবো না।
জেগে আছি কারন হলো- কাজ শেষ হয়নি।আজকের To do list সব কম্পলিট হলেও ২৭.১১.২০২৫ এর সব কাজের To do list এখনো তৈরি হয়নি।
আমি যখন ছাত্র ছিলাম,তখন রাতে জেগে নোট করতে বসতাম।যখন শিক্ষকতা শুরু করলাম,তখন ভোরে উঠে পড়তে বসতাম আর নোট করতাম।
যখন থেকে নিজের বিজনেস আর স্বপ্ন নিয়ে ছুটতে শুরু করলাম,তখন থেকে রাত-দিন নিয়ে আমি ভাবিনা, আমি কেবল একটি জিনিসই দেখি- স্বপ্নকে ছুঁয়ে দেখা।
যাহোক,সকাল শুরু করি- ৭ টা থেকে ৯ টা পর্যন্ত পড়া ও লেখা দিয়ে।৯:৩০ টা থেকে সিডিউলে বসি আর ঠিক ৫:৩০ টা বা ৬ টাই শেষ করি।
এই সময়ে যে অন্য কাজ করা লাগেনা সেটা নয়।এড রান করি, অফিসে নানান সমস্যা সমাধান করি, দিনে ৩০০+ ম্যাসেজ রিপ্লাই করি, ২৫ টা কন্টেন্ট লিখি আর নিজের রান্নাটাও করে খাই।
এরমধ্যেই দেখি, আব্বুর ঔষধ লাগবে, আম্মুর ডাক্তার দেখাতে হবে,তার সিরিয়াল লাগবে,ছোট ছেলের প্যাম্পাস নেই, বড় ছেলের পরীক্ষা ইত্যাদি।
এরপরেও সবার আক্ষেপ, সৌভিক ফোন করেন, কথা বলেনা, এত ব্যাস্ত থাকার কি দরকার?
অথচ কেউ কখনোই তার ডিমান্ড টা বলার আগে ভাবে না যে, এইটা এখন পাওয়া সম্ভব কিনা?
সবাই আসলে সবার ডিমান্ড (Daily Needs) বলে চুপ হয়ে গেলেও আমার কাজ সেগুলি ঠিক সময়ে পুরণ করা।
আমি এই আজাইরা গল্প কেন বললাম?
সব ছেলেরাই এই কাজ করেনা সত্য তবে সব পুরুষ এই কাজটাই করে,তার সামর্থ্যের মধ্যে।
বিনিময়ে কি আশা করে বলেন তো?
সম্মান আর ভালোবাসা।
আল্লাহ পাক কোরআন শরীফে নারীকে কি হিসাবে সৃষ্টি করেছেন, কি তাদের দ্বায়িত্ব এগুলা যদি কেউ সত্যিই ভালোভাবে অনুধাবন করে,তাহলে সে কখনোই এমন কোন কাজ করবেনা,যেটা তার স্বামীকে কষ্ট দেয়।
ইদানিং ফেসবুকে ব্যাডাদের খারাপ বলাটা ট্রেন্ড, আর সেই ট্রেন্ডের বলিতে পড়েনাই এমন নারীরাই কেবল কমেন্ট হয়তো করবে এইখানে আর বাকিরা গালি দিয়ে দিবে মনে মনে 😃
সবাইকে বলবো- পার্টনারকে সম্মান করুন,তার অর্জন আর তার অবদানকে মুল্যায়ন করুন।তার সামান্যতম কন্ট্রিবিউশান কেও মুল্যায়ন করুন।কারন, সে সব করে আর বিনিময়ে কেবল ভালোবাসা ও সম্মান টাই চায়।

Newsletter Updates

Enter your email address below and subscribe to our newsletter

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *