বিজনেস টিপস – ২৫২৮৩

আমরা অনেকেই আমাদের ফেসবুক পেজের সিকিউরিটি নিয়ে চিন্তিত,তাই আমরা আজকে আলোচনা করবো ফেসবুক পেজের সিকিউরিটি নিয়ে।
✅ ফেসবুক পেজ সিকিউরিটি-
ফেসবুক পেজ এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন সিকিউরিটি হল পেজ এর এডমিন। একজন এডমিন এর কাছেই থাকে পেজ এর সকল ক্ষমতা। তাই পেজ এর সিকিউরিটি ঠিক রাখার জন্য এডমিনদের অবশ্যই ফেসবুক সম্পর্কে, ফেসবুক এর নিয়ম নীতি সম্পর্কে দক্ষ হতে হবে, এবং অবশ্যই পেজ এর সঙ্গে সম্পূর্নরুপে সম্পর্কিত হতে হবে।
একটি পেজ এ প্রয়োজন অনুযায়ী দুই বা ততোধিক এডমিন রাখা ভাল, এবং বাকীদের বিভিন্ন (এডিটর, মডারেটর ইত্যাদি) রোল ঠিক করে দিতে হবে।
পেজ এর সাথে সম্পর্ক নেই বা প্রয়োজন নেই এমন কাউকে পেজ এর এডমিন বা কোন রোল এ রাখা উচিৎ নয়।
অপ্রাপ্তবয়স্ক, অদক্ষ কাউকে পেজ এর এডমিন রাখা উচিৎ নয়।যদি পেজ কোন ইমেইল আইডি দিয়ে খোলা হয় তবে অবশ্যই সেই ইমেইল আইডি টি ভেরিফাইড এবং সবসময় ইমেইল আইডি টি পর্যবেক্ষনে রাখা উচিৎ।
✅ পেজ এডমিন এর জন্য সিকিউরিটি-
পেজ এডমিন দের অবশ্যই ফেসবুক এ তাদের নিজস্ব প্রোফাইলটি নিরাপদ রাখতে হবে। কারন কোন কারনে তাদের আইডি হ্যাক হয়ে গেলে বা ফেসবুক বাতিল করে দিলে পেজ টি হারানোর সম্ভাবনা থাকে।
এক্ষেত্রে একাধিক একটিভ এডমিন থাকলে ঝুকি কম থাকে।ফেসবুক যেন এডমিন দের আইডি বাতিল না করে দেয় সেই জন্য এডমিনদের অবশ্যই নিজের সঠিক নাম প্রোফাইলে ব্যবহার করতে হবে।
এডমিন তার পার্সোনাল প্রোফাইলে ফেসবুক এর নিয়ম ভঙ্গ করে এমন কোন পোস্ট, কমেন্টস দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। ঘন ঘন পোস্ট করা এবং লাইক দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
✅ ভেরিফাইড ইমেল এড্রেস ব্যাবহার করতে হবে-
পেজ এডমিন দের নিজস্ব প্রোফাইলে অবশ্যই ভেরিফাইড এবং একটিভ ইমেইল আইডি ব্যবহার করা উচিৎ।
তবে একটি প্রাইমারি ইমেইল আইডি রেখে একাধিক ইমেইল আইডি থাকলে খুবই ভাল।পেজ এর এডমিন দের সিকিউরিটি এর জন্য প্রোফাইলে লগিন এলার্ট অন রাখা উচিৎ।
✅ 2-step Verification on রাখতে হবে-
এডমিন তার নিজের আইডিতে অবশ্যই 2 Step Verification অন রাখবে, এতে কেউ তার আইডির ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দেবার পর ও তার জন্য একটি ভেরিফিকেশন কোড যাবে লগ ইন হবার আগে।
এই কোড না দেয়া পর্যন্ত আইডি লগ ইন হবে না।
✅ জন্ম তারিখের কোন একটা অংশ বাদ দিয়ে দিবেনঃ
আমাদের ফেসবুক ইউজার দের মধ্যে অন্তত ৮০% এর বেশি মানুষ পাসওয়ার্ড হিসাবে শুধুমাত্র জন্মতারিখের একটা অংশ ব্যাবহার করেন।আর হ্যাকার টা এটাকে টার্গেট করতে পারে।তাই আপনার সম্পূর্ন জন্মতারিখ শো করবেন না।
✅ লগিন ডিভাইস এপ্রুভাল চেক ও পারমিশন সঠিক ভাবে দেখুনঃ
আমি আমার মোবাইল ও ল্যাপটপ থেকে ফেসবুক চলায় তাই আমি এই দুইটা ডিভাইস ছাড়া আর কোন কিছুকেই কখনো লগিন এপ্রুভাল দিই না এতে সুবিধা হলো- ধরুন আমি Abida Khan Shompa আপুর ফোন থেকে আমার আইডিতে গেলাম কিন্তু আমি লগ আউট করতে ভুলে গেলাম। সমস্যা নাই,আমি আমার আইডি থেকেই সেশন লগ আউট আর ঐ ডিভাইস কে বাদ দিতে দিলেই সমস্যার সমাধান।
✅ Trusted Contact Select-
এইটা খুবই গুরুত্বপূর্ন,আপনি আপনার আইডিতে যদি এই কাজটি করেন,তাহলে হ্যাকার চাইলেই হ্যাক করতে পারবেনা।হ্যাক করতে চাইলে-সেক্ষেত্রে তাকে এই তিনজনের কাছে যাওয়া কোড পেতে হবে।কিন্তু তার পক্ষ্যে তো জানা সম্ভব না যে,কারা আপনার ঐ তিনজন।
চেক করে নিন সকলেই যে এগুলি চালু কিনা।এছাড়া কেউ ফিশিং সাইটে যাবেন না,নানান গেম (দেখুন আপনি দেখতে কার মত,আপনি রাগি নাকি ভালো,ওমুক সাইটে আপনার ছবি দেখলাম)।এসব ক্লিক করলেই পাসওয়ার্ড চলে যায় হ্যাকারের কাছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *