স্বপ্নের সাথে প্রেমটাই সবচেয়ে বড় প্রেম হওয়া উচিত।

আমার কাছে সব সময় মনেহয়,নিজের স্বপ্ন আর প্রেম এই দুইটার মধ্যে একটা বড় যোগসুত্র থাকা লাগে।ইভেন মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় প্রেম এই কাজের সাথে হতে হয়।
আমি প্রতিদিনই সকালে উঠে আগে পড়ালেখাতে মন দিতে চেষ্টা করি এবং এই মাসের সব দিনেই সিডিউল শুরু হবার আগে অফিসে এসেছি।
আজ বৃষ্টির মধ্যেও অফিসে অন টাইমে আসাতে সবাই জিজ্ঞাসা করছে,স্যার আজ আপনার সব সিডিউল তো
অনলাইনে,তাও এই ওয়েদারে অফিসে কেন?
আমার উত্তর হলো- প্রেম।আর বাকিটা লেখার শেষে দিয়ে দিচ্ছি।
হ্যাঁ, আমার কাছে মনেহয় আপনার পছন্দের ও অনেক ভালোবাসার মানুষকে পার্টনার হিসাবে পাবার জন্য যে আপনার অনেক এফোর্ট থাকে,তারচেয়ে বেশি এফোর্ট এই ক্যারিয়ারের পিছনে দেওয়া লাগেনা।
তার ৫০% এফোর্ট দিলেও ক্যারিয়ারে সফলতা আসে।
দেখেন,এই প্রেম করতে যেয়ে আপনাকে ইচ্ছার বাইরে যেয়েও নির্লজ্জ হতে হবে,মান-সম্মান বিসর্জন দিতে হবে,একবার পাত্তা দেওয়া শুরু করলে,মেনে নেওয়া শুরু করলে,মানিয়ে নেওয়া শুরু করলে এগুলা করতেই থাকতে হবে।তবুও দুইদিন পর পর তার বাহানার শেষ থাকবেনা।
ওমুক কেন হলোনা,ঐ জিনিস কেন এমন করলে,তুমি কেন আমার এই ব্যাপারটা দেখলেনা?
এত কিছুই কিন্তু ক্যারিয়ার বিল্ড করতে গেলে আপনার করতে হবেনা।জাস্ট আপনি কানটা বন্ধ করে আর গায়ে একটা পর্দা এক্সট্রা চামড়া লাগিয়ে নিজের লক্ষ্যে ছুটে চলতে থাকেন।
যদি ক্যারিয়ার বিল্ড করতে গেলে,বাঁধা আসে তাহলে ঐ বাঁধা অতিক্রম করার জন্য বেহায়া হয়ে যান।উঠে পড়ে আবার লেগে যান কাজে।যদি কটু কথা শোনা লাগে,ঐ একই কাজ- জাস্ট ইগোকে দূরে রেখে আবার স্বপ্নের পথে ছুটে চলেন।
এইটা করতে পারলে আপনাকে আর আটকানোর কোন মাধ্যম নেই।বাট প্রেম করতে গেলে,ভালোবাসতে গেলে, সব করেও যে আপনি তাকে পাবেন,তার মন পাবেন এই গ্যারান্টি কিন্তু নেই।
এইজন্যই বলি,ওয়েদার যেমনই হোক না কেন,শীত,বর্ষা কিংবা গরম যেটাই হোক না কেন,ফোকাস টা রাখেন স্বপ্নের দিকে আর ক্যারিয়ার টা বিল্ড করেন।
এরপরে বাকি সবকিছু আপনা-আপনিই হয়ে যাবে।
ওহ হ্যাঁ, নিজে টাফ টাইমে অফিসে না এলে টিমের অন্য মেম্বারদের মোটিভেশন হওয়া যায়না।আমাদের টিমের ক্যাপ্টেন হিসাবে,আমাকেই তো Lead from the front করতে হবে,তাই আমি কঠিন সময়ে ও কঠিন দিনে সব সময় নিজে আগে সেটা করে দেখাতে চেষ্টা করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *