বিজনেস টিপস – ২৫২৯৫

আমাদের একটা কমন ব্যাপার হলো- আমরা বুঝি হয় টাকা খরচ করো আর নইলে টাকা খরচ বন্ধ করো।তবে আমি আজকে এই ব্যাপারে একটু ক্যালকুলেশন করবো।
ধরুন, নিলাদ্রীর হাতে ৫০০০০ টাকা আছে।সে এখন চিন্তা করছে- অর্গানিক মার্কেটিং করবে নাকি পেইড মার্কেটিং করবে।
শায়ান তাকে জানালো- যদি সে অর্গানিক মার্কেটিং করে,তাহলে তাকে ২০-৫০ টা হিউজ কনসেপ্টে ভিডিও বানাতে হবে আর সেইজন্য একটা স্টুডিও ভাড়া করে নিয়ে,ভিডিও বানিয়ে এডিট করতে হবে।
আবার যদি যে পেইড মার্কেটিং এ নামে, তাহলে তাকে ২-৫ টা ভিডিও বানিয়ে এডিট করে মার্কেটিং এ নামতে হবে।
অর্গানিক মার্কেটিং এ, তার কাজ হলো- নিয়মিত থেকে ও কনসিস্টেন্সি ধরে রেখে এই কাজগুলা করে যাওয়া আর একটা ভিডিও অন্তত ভাইরাল হবার জন্য অপেক্ষা করে যাওয়া।
ফলাফল – রেজাল্ট ভালো আসতেও পারে আবার পুরাই জিরো হতে পারে কিন্তু ঐ অর্গানিক মার্কেটিং করতেও তো তার টাকা যাবে।
হ্যাঁ, যদি তার নিজের স্টুডিও সেট আপ থাকে,এডিট করার স্কিল থাকে, হিউজ লেভেলের ক্রিয়েটিভ ব্রেইন আর স্ক্রিপ্টিং কোয়ালিটি থাকে,তাহলে ক্লিক করে যেতে পারে আর কোন টাকা খরচ না করে কেবলমাত্র ঐ ভিডিও রিচ দিয়েই সে ক্লায়েন্ট হান্টিং করতে পারবে।
অন্যদিকে- পেইড মার্কেটিং এ সুবিধা হলো,আপনি যদি একটা ভিডিও এড চালান,তাহলে ১০ ডলারে ৮ থেকে ১০ হাজার মানুষকে ফেসবুক অন্তত দেখাবেই।আর সেখান থেকে আপনি লিড পাবেনই।
হ্যাঁ, সেলস আসার কোন গ্যারান্টি এখানেও নেই তবে এখানে আপনার পরিচিতি আসবেই আর সাথে লিড ও আসবে।
এখানে ফলাফল,জিরো হতে পারে আবার আপনি দাঁড়িয়েও যেতে পারেন।এমন ও হতে পারে যে,আপনি টোটালি জিরো ব্যালেন্সে আসতে পারেন।
তাহলে উপায় কি?
একজন বিজনেস কোচ।যিনি ব্যালেন্স টা শেখাবেন ও বলে দিবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *