শচীন টেন্ডুলকার বলেছিলো- আমি যখন প্রাক্টিসে যেতাম,তখন কেউ সেখানে পৌছায় নি আর আমি যখন আসতাম,তখন কেউ সেখানে থাকতোনা।
দিনে ৬ ঘন্টা প্রক্যাটিস করতেন কখনো কখনো সেটা ১২ ঘন্টার মত।তিনি বলেছিলেন- সবচেয়ে বড় ঘড়ি হলো- আমার মনের ঘড়ি।
আমি কতক্ষণ কাজ করি সেটা ম্যাটার না।আমি যখন নিজেকে স্যাটিসফাইড ভাবি,তখনই শেষ করি।
বিরাট কোহেলি সকাল ৫:৪৫ থেকে প্র্যাক্টিস শুরু করতেন আর রোহিত শর্মা বলেছেন- আমি জানতাম Practice Makes a man perfect তাই আমি ঐটাই করেছি।
কারন,খেলার মাঠে যেয়ে আমি ঐ স্মৃতিগুলিই মনে করতে পারতাম যে কোন বল কিভাবে মেরেছিলাম।
আমি অনেক বেশি ক্রিকেট দেখি,তাই আমার অনেক ইন্সপিরেশনের জায়গায় ক্রিকেট আছে।আমি সব জায়গা থেকে বেস্ট টা পাবার ট্রাই করি।আসলে এই চয়েজ করার ব্যাপার টাও মনের।
আমি যখন কাজ শুরু করি,তখন কেউ শুরু করেনাই আর আমি যখন শেষ করি,তখনো অফিসে কেউ নেই।
আমি আমার এই হিসাবে চলিনা।আমি চলি- আমার মনের ঘড়ির হিসাবে।
আমার ঘড়ি আমাকে যখন জানান দেয় যে শেষ।
আমি তখনই শেষ করি।
আমার সফলতার অনেক বাকি,তবে যেটুকু এসেছি সেটাতে এই ব্যাপারগুলিই কাজে লাগাতে চেয়েছি।
ঘড়ির কাটা মেপে আমি কাজ করিনাই কখনোই।